পৌর মেয়র’র উদ্যোগে সড়কে জীবানুনাশক স্প্রে

ভোলা দক্ষিন প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে বোরহানউদ্দিন পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বৃহস্পতিবার রাত থেকে জীবাণুনাশক ছিটানো হয়েছে। বোরহানউদ্দিন পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম এর উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজন অনুসারে এ জীবাণুনাশক ছিটানো কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।বিভিন্ন জেলা ,উপজেলায় এ দূর্যোগে জীবানুনাশক ছিটানো কার্যক্রমে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস অফিস সহযোগিতা করলেও বোরহানউদ্দিনের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা গেছে।স্টেশন মাষ্টার খোরশেদ আলম জানান,উপসহকারী পরিচালক,মোঃ জাকির হোসেন তাদেরকে দরজা আটকিয়ে ঘুমাতে বলছেন।
বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র মোঃরফিকুল ইসলাম বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ,স্থানীয় সরকার মনত্রনালয় এবং ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল এর নির্দেশনায় যতদিন ,যতবার দরকার হবে পৌরবাসীকে সুরক্ষা করতে ততদিনই জীবানুনাশক ছিটানো হবে।তিনি আরও বলেন,শুধু জীবানুনাশক ছিটানোই নয়, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না।আমরা এ সব উপকরণ বিভিন্ন ভাবে সংগ্রহের চেষ্টা করছি।সংগ্রহ হলে আমরা পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করব।তিনি বলেন,পৌর সভার রাস্তাঘাটই নয়,পৌরসভার মধ্যে যতগুলো মসজিদ,মন্দির আছে সবগুলো জীবানুমুক্ত করার চেষ্টা করব ইনশল্লাহ।পৌরবাসীর সুরক্ষায় যা যা প্রয়োজন তাই করা হবে।
জীবাণুনাশক ছিটানো কার্যক্রম এর ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বশির গাজী বলেন, প্রথম অবস্থায় যেখানে জনসমাগম বেশি হয় সেসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় স্প্রে করাচ্ছেন পৌর মেয়র।তার সহযোগিতার প্রশংসা করে এ কর্মকর্তা বলেন, পর্যায়ক্রমে সব জায়গাতেই এ জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটাবে পৌরসভা ।তিনি স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস এর অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন,জাতীয় দূর্যোগে আমরা তাদের সহযোগিতা পেলাম না। তিনি এ সময় সাংবাদিকদের মাধ্যমে সকলকে এ দুর্যোগ মোকাবিলায় ঘরে থাকার আহবান জানান।
উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কর্মকর্তা মো.খোরশেদ আলম ডিএডির রেফারেন্স দিয়ে বলেন,তার অনুমতি পাওয়া যায়নি বলে আমরা সড়কে জীবাণুনাশক স্প্রে করেছি না। ভোলা সদর ও চরফ্যাশন উপজেলার ফায়ার সার্ভিস কিভাবে স্প্রে করল এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি একই কথা বলেন।