মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ হচ্ছে আজ রাত ১২ টার পর থেকে

মোঃআশিক পন্ডিত,
: আজ রাত বারোটার পর শুরু হচ্ছে ইলিশ প্রজনন মৌসুম । এসময় ডিম ছাড়ার জন্য ঝাঁকে ঝাঁকে মা ইলিশ মেঘনা তেতুলিয়ার অভয়াশ্রমে ছুটে আসবে। তাই সারা দেশের ন্যায় ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়ায় ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। কর্মহীন হয়ে পড়বে
মেঘনা-তেতুলিয়ায় উপর নির্ভরশীল জেলে সম্প্রদায়।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, বোরহানউদ্দিনে নিবন্ধিত জেলার সংখ্যা ১৯০৮৪।

আজ ১৪ অক্টোবর থেকে ০৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অবরোধকালীন সময়ে নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে প্রায় ১৭০৪৪ জনকে ২০ কেজি হারে ভিজি এফ এর চাল বিতরণ করা হবে।

বোরহানউদ্দিনের মেঘনা পাড়ের স্থানীয় জেলে ইদ্রিস, সিরাজ মাঝি সহ আরো অনেকে বলেন, “আমরা ১২/২০ বছর যাবৎ এ পেশায় জড়িত। বিভিন্ন কারণে আমরা নিবন্ধিত হতে পারিনি। যার কারণে আমরা মৎস্য বিজিএফ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তারা আরো বলেন, এই অভিযান দেশের উপকারের জন্যই করা হয়েছে ,কিন্তু যে ২২ দিন অভিযান দিছে, অভিযানের আগেই আমরা সাবার উঠায় লাইছি, এই ২২ দিন আমরা কিভাবে চলবো ? তারা এ সময় ভিজিএফ সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরো বৃদ্ধির দাবি জানান।
তবে সংশ্লিষ্ট দফতর সূত্র জানায় , বিভিন্ন উপজেলা থেকে অনুপ্রবেশকারী জেলে, এনআইডি কার্ড না থাকা এবং নীতিমালার বাধ্যবাধকতা থাকায় কিছুসংখ্যক জেলের নিবন্ধিত হতে পারেনি।

এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসার নাজমুস সালেহীন জানান,প্রকৃত জেলেরা কার্ড পায়নি এটি ঠিক নয়। সামান্য কিছু ক্রুটি থাকতে পারে। অনেকেই জেলে পেশা পরিবর্তন করে দোকানপাট বা অটো চালাচ্ছে। যৌক্তিক বা নীতিমালার কারনেই অনেকে নিবন্ধিত হতে পারেনি। তিনি আরো বলেন, সরকারিভাবে নিবন্ধিত ১৯০৮৪ জন জেলের মধ্যে ১৭০৪৪ জনকে ২০ কেজি হারে ভি জি এফ এর চাল বিতরন করা হবে। যাহা গত বছরের তুলনায় ৪১৪১ জন সুবিধাভোগী বেশি।